ওবায়দুল কাদেরের গোমর ফাঁস করা সেই আ.লীগ নেত্রীকে অব্যাহতি

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাসের জেরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফারহানা মিলিকে সংগঠন থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

সোমবার মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফারহানা মিলি তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে অসৌজন্যমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন সে জন্য মহিলা আওয়ামী লীগ তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছে। তার এই সংগঠন পরিপন্থী, সংগঠন বিরোধী এবং কর্মকাণ্ডের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদ থেকে তাকে অব্যাহতি দেয়া হলো।

এর আগে শনিবার সকালে নিজের ফেসবুকে মিলি বলেছিলেন, ‘রাজনীতি বুঝুক না বুঝুক, সেক্সনীতি বুঝলেই বাপের বয়সী সাধারণ সম্পাদকের কোলে বসে ফুরতি (ফূর্তি) করাটাই রাজনীতিতে পদবী (পদ) পাওয়ার কাজ দেবে! শিক্ষিত না হলে দোষ নাই, একাধিক নেতা আর ব্যবসায়ীদের শারীরিক সুখ দিতে পারলেই পদবী পাওয়া যাবে!’

ওবায়দুল কাদেরের কোলে বসলেই মেয়েদের পদ পদবী মেলে?

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফারহানা মিলি। রাজনীতির মাঠ ছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তিনি সক্রিয়।

বিভিন্ন সময় নিজ দলের নানান বিষয় নিয়ে তাকে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিতে দেখা গেছে। তবে এবার নিজ দল, দলীয় নেতা ও নেত্রীদের নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করে সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম হলেন এই নেত্রী।

স্বয়ং দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন ফারহানা। দলের অশালীন নেত্রীদের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেছেন, বাপের বয়সী সাধারণ সম্পাদকের কোলে বসে ফুরতি করলেই পদ পদবী পাওয়া যায়।

আজ শনিবার সকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের একটি পোষ্টে তিনি এমন বিষ্ফোরক মন্তব্য করেন। যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সর্বত্র আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

দলের একজন সিনিয়র নেত্রীর এমন মন্তব্য অনেকে সমর্থন করলেও আবার কেউ কেউ তাকে মাথা ঠাণ্ডা রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। ফেসবুকে ফারহানা মিলির লেখা স্ট্যাটাসটি অ্যানালাইসিস বিডির পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

“রাজনীতি বুঝুক না বুঝুক, সেক্সনীতি বুঝলেই বাপের বয়সী সাধারণ সম্পাদকের কোলে বসে ফুরতি করাটাই রাজনীতিতে পদবী পাওয়ার কাজ দেবে!

শিক্ষিত না হলে দোষ নাই, একাধিক নেতা আর ব্যবসায়ীদের শারিরিক সুখ দিতে পারলেই পদবী পাওয়া যাবে!

মঞ্চে দাঁড়িয়ে দুই চারটা রাজনৈতিক ভালো কথা বলতে না পারলেও হোটেলে গিয়ে বাচ্চাদের ভঙ্গিমায় প্রেমালাপ পারলেই রাজনীতি হবে!

স্বামীর রোজগারে ঠিকমত বাসাভাড়া আসবে না, কিন্তু জীবন যাপনের স্টাইল লাখ টাকার বাজেটে করতে পারাটাই রাজনৈতিক স্বার্থকতা তাদের জন্যে!

বেশামাল শরীরে অশালীন পোষাকে রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে সেইসব নোংড়া ছবি তুলে ফেইজবুকে না নিয়ে এলে তাদের ফেইজবুক অচল হয়ে পড়ে! তাদের আপত্তিকর পোষাকে না দেখলে হয়ত, স্থানীয় বড়পদের বাপদের পেটের ভাত হজম হয়না!

শারিরিক বেসামাল গড়ন আর অশালীনতা যেন তাদের দেহব্যবসার বিশেষ পণ্যবস্তু। নিজের সন্তান কে কাজের লোকের কাছে রেখে রাজনীতির নামে সারাদিন বেশ্যাবৃত্তি করাটাই তাদের কাজ! পরিবারে নেই কোন জবাবদিহি, তাই যাচ্ছেতাই করা যায়। তাছাড়া বড় বান্ডেল দেখলে আয়বিহীন পরিবারের বাপ-মায়ের চোখে অসৎ মেয়ের গোলাপী চরিত্র সকল অপরাধ ই ম্লান করে দেয়!

জানতে ইচ্ছে করে যদিও তাদের বাপ-মা কি তবে বেশ্যা ছিলেন??? তবুও না জেনে বুঝার বাকি থাকেনা যে, বেশ্যা না থাকলেও নিজের মেয়ের বেশ্যাবৃত্তি কে রাজনীতির সার্টিফিকেট দিতেই বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন মূর্খ, অশিক্ষিত আর অবুঝ বাপ-মা!!

এটাই তাদের জীবন,,,,,,
তারা এভাবেই চলে,,,,,,
তারা এমনি,,,,,,

কারণ???
খুব সহজ, স্থানীয় এমপি আর রাজনৈতিক বড় পদের মালিকদের সাথে তাদের গোলাপঝরা শখ্যতা! After all, তাদের ইয়াবা আর মাদক ব্যবসা এবং রাজনৈতিক পদ বেচেঁ দেহব্যবসা সফল করতে ও সচল রাখতে এইসব পদবী আর বয়সে আব্বারা ই ত একমাত্র সহায়ক!”

সূত্র: পরিবর্তন ও অ্যানালাইসিস বিডি

Facebook Comments

comments