বাংলাদেশে ইসলাম আগমনের ইতিহাস পাল্টে দিল যেই মসজিদ

জুবাইর মেহরান

১২০১ খ্রিস্টাব্দে ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজির নেতৃত্বে এই ভূখণ্ডে ইসলাম রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই বিষয়ে ঐতিহাসিকরা একমত হলেও এই ভূখণ্ডে মুসলমানদের প্রথম আগমন কবে ঘটেছিলো বা মুসলিম সভ্যতা এখানে কবে গড়ে উঠেছিলো সে বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত পাওয়া যায়। এই ভিন্ন মতের কারণ হলো, প্রত্নতত্ত্ববিজ্ঞান উন্নততর হওয়ার সাথে সাথে প্রতিনিয়ত মুসলমানদের প্রাচীনতর প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনসমূহ নতুনভাবে খুঁজে পাওয়া যায়। ফলে এই ভূখণ্ডে মুসলমানদের প্রথম আগমনের ব্যাপারে আগের মতবাদগুলো পুরনো হয়ে তার বদলে নতুন মতবাদ এসে যোগ হয়।

বাংলাদেশে ইসলাম আগমনের সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য পথ হচ্ছে চট্টগ্রামের নৌবাণিজ্য পথটি। এ পথ দিয়েই আগমন ঘটেছিল অষ্টম থেকে দশম শতকের সুফি ধর্মপ্রচারকদের। চট্টগ্রামে বায়েজিদ বোস্তামি (মৃত্যু ৮৭৪ খ্রিস্টাব্দ), বগুড়ার মহাস্থানগড়ে সুলতান মাহি সওয়ার (আগমনকাল ১০৪৭ খ্রিস্টাব্দ) এবং নেত্রকোনায় মুহাম্মদ সুলতান রুমি (আগমনকাল ১০৫৩ খ্রিস্টাব্দ) প্রমুখও এই পথেই বাংলাদেশে এসেছিলেন।

আরব বণিকদের এ পথে যাতায়াত ও ভিনদেশি সুফিদের আগমনের ফলে এই বিশাল বাংলার চট্টগ্রামে প্রথম মুসলিম সভ্যতা গড়ে ওঠার যে ইতিহাস আমরা জানি সেটাকে নতুন করে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি করেছে তিন দশক আগে আবিষ্কৃত লালমনিরহাটে অবস্থিত ৬৯ হিজরি সনে (৬৯১ খ্রিস্টাব্দ) নির্মিত ‘হারানো মসজিদ’টি। আজ আমরা জানবো দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে প্রাচীন মসজিদের আশ্চর্য ইতিহাস সম্পর্কে। যে মসজিদটির ইতিহাস জানলে রোমান ও আরব বণিকদের নৌ বাণিজ্যপথ হিসেবে ব্যবহৃত ব্রহ্মপুত্র অববাহিকা সম্পর্কে আমাদের পূর্বের জানাশোনায় এক নতুন মাত্রা যোগ হবে।

১৯৮৬ সালের দিকে আশ্চর্যজনকভাবে লালমনিরহাটে পাওয়া যায় খুব প্রাচীন একটি মসজিদ। এই ভূখণ্ডে মুসলমানদের আগমনের প্রারম্ভিক ইতিহাসের এ যেন রাজসাক্ষী। বিশেষজ্ঞদের আগের সমস্ত মতামতকে তুড়ি দিয়ে উড়িয়ে নতুনভাবে এই মসজিদটি প্রমাণ করলো এ ভূখণ্ডে মুসলিমদের আগমন আজকালকার ঘটনা নয়। অন্তত সাড়ে তেরশ বছর আগের। ৬৯ হিজরি সনে নির্মিত এই মসজিদটির অনতি দূরে তিস্তা নদীর অবস্থান। প্রাচীন মেসোপটেমীয় সভ্যতার দজলা ও ফোরাতের মতো ব্রহ্মপুত্র-তিস্তা অববাহিকাকে পৃথিবীর প্রাচীনতম অববাহিকাগুলোর একটি গণ্য করা হয়। কাজেই এই অববাহিকায় অদূরেই ৬৯ হিজরি তথা ৬৯১ খ্রিস্টাব্দে একটি মসজিদ নির্মাণের ঘটনা অস্বাভাবিক কিছু নয়।

হারানো মসজিদের নতুন অবকাঠামো; Source: The Daily Star

যেভাবে আবিষ্কৃত হলো মসজিদটি

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের জেলা লালমনিরহাটের পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের রামদাস গ্রামের একটি আড়ার মাঝে এই হারানো মসজিদটি আবিষ্কৃত হয়। আড়াটি স্থানীয় লোকদের কাছে পরিচিত ছিলো মোস্তের আড়া বা মজদের আড়া নামে। স্থানীয় লোকজন হিংস্র জীবজন্তু, সাপ-বিচ্ছু ইত্যাদির ভয়ে অনেকদিন ধরে পতিত এই আড়াটির ভিতরে প্রবেশ করে না। এখানে মসজিদ, মন্দির বা অন্য কিছু আছে কিনা কেউ কিছুই অনুমান করতে পারেনি। ১৯৮৩-৮৪ সালে স্থানীয়রা আড়াটি চাষাবাদের জন্য পরিষ্কার করার উদ্যোগ নেয়। ঝোপঝাড় পরিষ্কার করতে গিয়ে তারা দেখে জায়গাটি সমতল জমি থেকে উঁচু এবং সেখানে রয়েছে প্রায় সাত-আটটির মতো মাটির উঁচু টিলা।

জায়গাটি সমতল করার জন্য খোঁড়া শুরু হলে সেখনে প্রাচীনকালের তৈরি প্রচুর ইট পাওয়া যেতে থাকে। ইটগুলোর গায়ে ছিলো ফুল আঁকানো। স্থানীয় লোকজন তখন ধারণা করেছেন, পুরনো কোনো জমিদার বা রাজার বাড়ি হয়তো এখানে ছিল। এ কারণে তারা এ নিয়ে কোনো রকম বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেনি। যে যার মতো পেরেছে ভাঙা ইটের টুকরো নিয়ে নিজেদের বাড়িঘরের কাজে লাগিয়েছে। তবে একদিনের ঘটনায় পাল্টে যায় পুরো প্রেক্ষাপট। দিনটি ছিলো ১৯৮৬ সালের ১০ই মহররম। সেদিন গ্রামের আইয়ুব আলী নামের এক ব্যক্তি অন্য অনেকের মতো ইটের স্তুপ থেকে ইট কুড়িয়ে বাড়িতে নিয়ে দেখেন ইটের উপর কিছু একটা লেখা। লেখা স্পষ্ট দেখার জন্য টিউবওয়েলের পানিতে ভালোমতো ধুয়ে নেন। ইট থেকে ময়লা পরিষ্কার হওয়ার পর দেখতে পান ঐ ইটটি একটি প্রাচীন শিলালিপি। ওপরে স্পষ্টাক্ষরে লেখা, ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ হিজরি সন ৬৯‘

ফুল আঁকা ইট এবং শিলালিপিটি; Source : The Daily Star

এরপর স্থানীয় লোকদের মনে অকাট্য বিশ্বাস জন্মে, এটা কোনো হারানো মসজিদের ধ্বংসাবশেষ। দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে পূর্বের চেয়ে আরো সতর্ক ও যত্নবান হয়ে মসজিদটির উদ্ধার কাজ চালিয়ে মসজিদের মেহরাব, মসজিদ সংলগ্ন ঈদগাহ, খুৎবা দেয়ার মিম্বার আবিষ্কার করেন। তারপর থেকে সেখানকার লোকজন মসজিদের আঙিনায় টিন দিয়ে সাদামাটা একটি মসজিদ নির্মাণ করে সালাত আদায় করে আসছেন। স্থানীয়রা মসজিদটির নাম দিয়েছেন ‘হারানো মসজিদ’। গ্রামের বর্তমানের বাসিন্দাদের পূর্বপুরুষরা ২০০ বছর আগে এখানে বসতি শুরু করেছিলেন। একসময় এই পতিত জায়গাটির মালিক ছিলো ‘পচা দালাল’ নামের এক ব্যক্তি। আনুমানিক ১৯৪৯ সালে ইয়াকুব আলী নামের এক ব্যক্তি তার কাছ থেকে এই জায়গাটি কিনে নিয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে উত্তরাধিকারসূত্রে জায়গাটির মালিক হন নবাব আলী এবং তার মালিকানাধীন অবস্থায়ই মসজিদটি আবিষ্কৃত হয়েছে। পরে তিনি জায়গাটি হারানো মসজিদ কমপ্লেক্সের নামে দিয়ে দেন।

প্রাচীন ইটের স্তুপ, যেগুলো এখন নবগঠিত হারানো মসজিদ কমপ্লেক্সের সীমানায় সংরক্ষিত আছে; Source: The Daily Star

আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি

শৌখিন ব্রিটিশ প্রত্নতাত্ত্বিক টিম স্টিল তখন বাংলাদেশের ‘টাইগার ট্যুরিজম’ নামের একটি পর্যটন উন্নয়ন বিষয়ক প্রতিষ্ঠানের উপদেষ্টা হিসাবে কর্তব্যরত ছিলেন। তিনি মসজিদটির আবিষ্কারের কথা শুনে লালমনিরহাট ছুটে গেলেন। বাংলাদেশ ও উপমহাদেশের প্রাচীন ইতিহাস তন্ন তন্ন করে খুঁজতে শুরু করলেন। ৬৯১ খ্রিস্টাব্দে কে বা কেন লালমনিরহাটে এই মসজিদটি নির্মাণ করল তা খুঁজতে নেমে গেলেন তিনি। যোগাযোগ করলেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তরের সঙ্গে। তারা আগ্রহ দেখাল না। বেশিরভাগ প্রত্নতাত্ত্বিক ও ইতিহাসবিদ বললেন,

“এত আগে এই অঞ্চলে মসজিদ নির্মিত হওয়ার কথা নয়। এই ভূখণ্ডে ইসলাম বিস্তারের ইতিহাস বলে – ১,০০০ শতকে চট্টগ্রামে সুফিদের প্রথম আগমন ঘটে। ১১০০ থেকে ১২০০ শতকে সুফিদের হাত ধরে পূর্ব বাংলায় ইসলামের প্রচার ও প্রসার শুরু হয়। তাদের হাতেই এই অঞ্চলে প্রথম মসজিদ নির্মাণ হয়। পরে সুলতান ও মোঘলদের হাত ধরে তার আরও প্রসার ঘটে। সুতরাং এই মসজিদটি এত প্রাচীন নয়।”

দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে প্রাচীন মসজিদটি বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের রামদাস গ্রামটিতে অবস্থান করছে তা প্রমাণ করতে টিম স্টিল সহায়তা নেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্নতাত্ত্বিকদের সবচেয়ে প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠান ‘আমেরিকান ইনস্টিটিউট অব আর্কিওলজিস্ট’ এর।সেখানকার ইসলামের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন নিয়ে গবেষকরা জানান- “মসজিদটি সেই সময়ের নির্মিত মসজিদ হতে কোনো অসুবিধা নেই।” মসজিদটি নিয়ে টিম স্টিলের ভিডিও প্রতিবেদনটি দেওয়া হলো।

দলিল-প্রমাণ

বিশেষ কোনো জাতির প্রত্নতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ বা সেই জাতির অতীত, বর্তমান; তদুপরি সার্বিক অবস্থা নিরূপণের জন্য যে উৎসগুলো প্রয়োজন তা হলো মুদ্রা, শিলালিপি, ঐতিহাসিক সাহিত্য, স্মৃতিসৌধ, রাজকীয় দলিলপত্র, ভিনদেশী পর্যটকদের বিবরণ ইত্যাদি। টিম স্টিল অনেকগুলো প্রমাণ উল্লেখ করেছেন, সেগুলো হলো-

‘হারানো মসজিদটি’ প্রথমত যে প্রমাণের ভিত্তিতে ৬৯১ খ্রিস্টাব্দের নির্মিত মসজিদ হিসাবে বলা হচ্ছে সেটি হলো মসজিদটির শিলালিপিটি, যেখানে স্পষ্ট করে হিজরি সন ৬৯ লেখা আছে। শিলালিপিটি এখন আছে তাজহাট জমিদারবাড়ি জাদুঘরে।

দ্বিতীয়ত, যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্নতাত্ত্বিকদের সবচেয়ে প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠান ‘আমেরিকান ইনস্টিটিউট অব আর্কিওলজিস্ট‘ এর মতে, রোমান ও জার্মান ইতিহাসবিদদের লেখায় আরব ও রোমান বণিকদের ব্রহ্মপুত্র অববাহিকাকে বাণিজ্যিক পথ হিসাবে ব্যবহারের কথা লিপিবদ্ধ আছে এবং বেশ কয়েকটি চলমান গবেষণায় ব্রহ্মপুত্র-তিস্তা অববাহিকাকে পৃথিবীর সবচেয়ে পুরনো আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নৌপথ হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার প্রমাণও পাওয়া গেছে।

তৃতীয়ত, চীনের বিস্মৃত কোয়াংটা নদীর ধারে কোয়াংটা শহরে মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা) এর একজন সাহাবী আবু ওয়াক্কাছ (রা) নির্মিত মসজিদ ও সমাধি রয়েছে। ব্রিটিশ প্রত্নতাত্ত্বিক টিম স্টিল দাবি করেন, খ্রিস্টপূর্ব সময় থেকে ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তার পাড় ধরে সিকিম হয়ে চীনের মধ্য দিয়ে আরব ও রোমান বণিকদের বাণিজ্য বহরের যাতায়াতের অনেক প্রমাণ রয়েছে তার কাছে। এই হারানো মসজিদটি হতে পারে সাহাবী আবু ওয়াক্কাছ (রা) নির্মাণ করেছেন। কারণ তিনি এই অঞ্চল দিয়েই চীনে পাড়ি জমিয়েছিলেন। রংপুুরের টাউন হলে ১৯৯৩ সালে একটি সেমিনারের আয়োজন করা হয়, যার বিষয়বস্তু ছিল ‘হিজরি প্রথম শতাব্দীতে ইসলাম ও বাংলাদেশ’। এতে সভাপতিত্ব করেন কারমাইকেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল কুদ্দুস বিশ্বাস। সেদিন প্রবন্ধকার ও সব আলোচক ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে প্রমাণ করতে সক্ষম হন যে, ৬৯ হিজরি অর্থাৎ ৬৯১ খ্রিস্টাব্দে সাহাবায়ে কেরামগণ কর্তৃক এই হারানো মসজিদ নির্মাণ করা মোটেই অসম্ভব নয়।

চতুর্থত, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান কর্তৃক আবিষ্কৃত নরসংদী থেকে কিশোরগঞ্জ পর্যন্ত বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে প্রাচীন নগর সভ্যতা অর্থাৎ উয়ারি-বটেশ্বর সভ্যতা, প্রত্নতাত্ত্বিক অধ্যাপক শাহনেওয়াজ কর্তৃক আবিষ্কৃত পঞ্চগড়ের ভিটাগড়ে প্রাচীন নগরের নিদর্শন এবং সর্বোপরি, বগুড়ার মহাস্থানগড় বা নওগাঁর প্রাচীন মসজিদ নিয়ে গবেষণায় যে নিদর্শন পাওয়া গেছে তাতে এটা ধীরে ধীরে পরিষ্কার হয়ে উঠে এসেছে যে, দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা বাংলাদেশের ভূখণ্ডে গড়ে উঠেছিল। মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা) ইন্তেকালের পঞ্চাশ বছরের মধ্যেই এই ভূখণ্ডে মুসলিম সভ্যতা গড়ে উঠেছিলো।

কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, এ ধরনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন অবহেলায় হারিয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। কখনও কখনও অর্থের লোভে দেশীয় অনেক মূল্যবান প্রত্নসম্পদ বহির্বিশ্বে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে বলেও জানায় আল জাজিরার একটি প্রতিবেদন। ইন্টারনেটে কিছুটা অনুসন্ধানের করলেই অনুমান করা যায় যে, কেন বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ এসব প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সম্পর্কে কোনো কথা বলতে চায় না। এই ধরনেরর মূল্যবান নিদর্শন বেচাকেনা হয় ইন্টারনেটে। এমন বেশ কিছু ওয়েবসাইট ঘেঁটে দেখা গেছে যে, মিউজিয়ামের অনেক প্রত্নসম্পদ, যেগুলো ইন্টারনেটে বিক্রি করা হয়েছে তাদের প্রাপ্তিস্থান বাংলাদেশ। বাংলাদেশের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও সফল হতে পারেননি আল জাজিরার প্রতিনিধি। আল জাজিরার ভয়েস প্রতিবেদনটি দেখতে পারেন।

সূত্র: roar-বাংলা

Facebook Comments

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here