দীপু মনি-কামরুলের অনুষ্ঠানস্থলে মেয়র সাঈদের ২ ট্রাক ময়লা, অতপর…

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের অনুষ্ঠানস্থলের সামনে গভীর রাতে দুই ট্রাক ময়লা ফেলেছে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা। তবে ধারনা করা হচ্ছে খাদ্যমন্ত্রীর সাথে বিরোধের জেরে মেয়র সাঈদ খোকন এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন।

সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অনুষ্ঠানে বাধা দিয়েছে মেয়র সাঈদ খোকনের একটি গ্রুপ। দুই গ্রুপের সংঘর্ষে সেখানে রণক্ষেত্র তৈরি হয়েছে।  আগুন দেয়া হয়েছে মোটরসাইকেলে।

যুগান্তরের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, অনুষ্ঠানের জন্য নির্ধারিত রাজধানীর আজিমপুর পার্ল হারবার কমিউনিটি সেন্টারের সামনে বুধবার রাতে স্তূপাকারে ময়লা ফেলা হয়।

এ কমিউনিটি সেন্টারে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় সদস্য নবায়ন এবং প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল লালবাগ থানা আওয়ামী লীগ।

এতে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ডা. দীপু মনিকে প্রধান অতিথি এবং খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাত ও সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদকে বিশেষ অতিথি করা হয়।

শাহে আলম মুরাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে যুগান্তরকে বলেন, ‘আমরা সুন্দর একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছি। কিন্তু সিটি করপোরেশনের ময়লা কারো না কারো ইন্ধনে এখানে ফেলা হয়েছে। কারো ইন্ধন ছাড়া এখানে ময়লা ফেলতে সাহস পাবে না কেউ।’

এদিকে পরিচ্ছন্ন কমিউনিটি সেন্টারের সামনে রাতের বেলায় দুই ট্রাক ময়লা ফেলে যাওয়ার পর থেকেই দুর্গন্ধে কেউ সেখানে দাঁড়াতে পারছে না।

এ বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকনের কাছে জানতে চাইলে তিনি যুগান্তরকে বলেন, আমি এ বিষয়ে এখনও কিছু জানি না। অফিসে যাচ্ছি, গিয়ে খোঁজ নিতে হবে।’

অন্যদিকে পাশেই ভিকারুন্নিসা স্কুলের আজিমপুর শাখা, আর ময়লার পচা গন্ধে স্কুলের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

সকালে অনুষ্ঠানস্থলে এসে ময়লার স্তূপ দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়েন আওয়ামী লীগ নেতারা। তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আজিমপুর কমিউনিটি সেন্টারের দলীয় কর্মসূচি ছিল পূর্বনির্ধারিত। দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশেই এই কর্মসূচি হওয়ার কথা। কিন্তু সকালবেলা এসে দেখি কমিউনিটি সেন্টারের সামনেই বিশাল ময়লার স্তূপ পড়ে আছে।

তাদের অভিযোগ, মহানগর আওয়ামী লীগের দলীয় কোন্দলের অংশ হিসেবেই প্রতিপক্ষ একটি গ্রুপ সেখানে পরিকল্পিতভাবে ময়লার স্তূপ রেখে গেছে।

তথ্যসূত্র: যুগান্তর ও শীর্ষনিউজ

Facebook Comments

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here